বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
বকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দবকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ লালমনিরহাটে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগীদের আজীবন ফ্রি রক্ত দেবে ‘বিডিএসএল’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ করছে ‘রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন’ লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৩ লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে আরও একটি ট্র্যাজেডি, উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিস লালমনিরহাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বি গ্রেফতার কমলনগরে হাম প্রতিরোধে শুরু হয়েছে ‘ইন্টেন্সিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ’ টিকাদান কার্যক্রম লালমনিরহাট শহরে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালস্কার চুরি চরফ্যাশনে ফোনে ডেকে নেওয়ার পর নিখোঁজ, ডোবা থেকে গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের ঘরে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন চরফ্যাশনে ঝড়ের কবলে মাছ ধরা ট্রলার লণ্ডভণ্ড, বনের গাছে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বাঁচলেন ৬ জেলে
১৭ জন শিক্ষকের প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল

১৭ জন শিক্ষকের প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মাগুরা দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক আছেন ১৭ জন। অথচ মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও চলতি বছর দাখিল পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি।

মাদ্রাসার শিক্ষকদের গাফিলতিতে এমন ফলাফল হয়েছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। বিগত ১০ বছর ধরেই এই মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় ঘটছে বলে জানায় স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে ১৭ জন শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। এবছর মাদ্রাসাটিতে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৯ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু একজনও পাস করতে পারেনি। সবাই ফেল করায় মাদ্রাসার পাশের হার শূন্য।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ১৯৭৫ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। তবে এমপিওভুক্ত হলেও মাদ্রাসাটিতে ভবন সংকটের পাশাপাশি পর্যাপ্ত শ্রেণি কক্ষ নেই। এছাড়া মাদ্রাসা প্রত্যন্ত চলনবিল অঞ্চলে এবং উপজেলা সদর থেকে ৮/৯ কিলোমিটার দূরে হওয়া সত্ত্বেও অনেক শিক্ষক ভাঙ্গুড়াতে বসবাস করেন। ফলে শিক্ষকরা মাদ্রাসায় নিয়মিত আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসাটিতে কাম্য শিক্ষার্থী নেই। পাশাপাশি দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় ধারাবাহিকভাবে চলছে।

গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষকরা ঠিকমতো পড়াশোনা করায় না। নিয়মিত আসেন না। শুধু বেতন তোলেন। ফলে এলাকার সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এ মাদ্রাসায় দেন না। বিগত ১০ বছর ধরেই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী নেই এবং ফলাফল খারাপ।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার জাকির হোসাইন বলেন, গ্রামের ছেলেপেলে ঠিকমতো পড়ে না। তাই ফলাফল খারাপ হয়েছে। মাফ চাই। নিউজ কইরেন না।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই মাদ্রাসায় ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখা হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com